হাদিসের ইতিহাস। সহিহ হাদিস সমূহ আলোচনা।

আজকের আলোচনার মুল বিষয় হল হাদিস।

হাদিস কাকে বলে সেটা আগে জানতে হবে।

হাদিস শব্দের অর্থ কি?

হাদিস শব্দের অর্থ হল কথা বা বানী।

মহানবী(সাঃ) মুখে যা কিছু বলেছেন। তাকে হাদিস বলে।

হাদিস আবার তিন প্রকার।

যাহোক ওই দিকে যাবো না।

আজকে ইতিহাস নিয়ে আলোচনা করব।

নবী করিম (সাঃ) তিনি যা কিছু আদেশ বা নির্দেশ দিয়েছেন। সেগুলু নবী করিম (সাঃ) তখন লিপিব্দদ করা ছিল না। নবী করিম (সাঃ) এর মুতুর পরে হযরত আবু বকর(রাঃ) মহানবী (সাঃ) এর কথা গুলো লিপিব্দ করার জন্য নির্দেশ দেন। পরে হাদিস সংগ্রহ করার জন্য লোক নিয়োগ করেন। কিছু হাদিস সংগ্রহ করা হয়। কিন্তু সে গুলো বিষয় ভিত্তিক না হওয়ায়। আবার নতুন করে  হাদিস সংগ্রহ করার নির্দেশ দেওয়া হয়।

হাদিস সংগ্রহ করার পর মোট ছয়টি কিতাব কে সহিহ হাদিস বলে ঘোষণা করা হয়।

হাদিস গুলো হল-

১। সহিহ বুখারি- এই কিতাবে মোট হাদিস আছে ৭৩৯৭ টি।

২। মুসলিম শরিফ- এই কিতাবে মোট হাদিস আছে ৪০০০ টি।

৩।জামি- আত তিরমিজি- এই কিতাবে মোট হাদিস আছে ৩৮১২ টি।

৪। সুনানে আবু দাউদ- এই কিতাবে মোট হাদিস আছে ৪৮০০ টি।

৫। সুনানে নাসাই- এই কিতাবে হাদিসা আছে ৫৭৬১ টি।

৬। সুনানে ইবনে মাজাহ- এই কিতাবে মোট হাদিস আছে-৪৩৪৯ টি।

আর হাদিস সংগ্রহকারী সাহাবীদের মধ্যে হল-

১। হযরত আবু হরাইরাহ (রাঃ) এর আসল নাম- আব্দুর রহমান।

২। হযরত আয়েশা সিদ্দিকা (রাঃ)

৩। হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাঃ)।

৪।  হযরত আব্দুলাহ ইবনে উমর (রাঃ)

৫। হযরত যাবের ইবনে আব্দুলাহ (রাঃ)

বর্তমানে এই ছয়টি কিতাবের প্রতি বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়।

এর বাইরে আর অনেক হাদিসের কিতাব আছে। কিন্তু সেগুলুর প্রতি বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়নি।