ভিডিও মার্কেটিং সফল ক্যারিয়ার।

আজ আপনাদের সাথে আলোচনা করব মার্কেটিং বিষয়ে।

যারা অনলাইনে কন্টেন্ট মার্কেটিং করেন। তাদের জন্য আজকের আই পোস্ট।

ইন্টারনেটের মুল বিষয় বস্তু হল কন্টেন্ট। কন্টেন্ট যদি না থাকতো তাহলে ইন্টারনেট থাকতো না। আমরা যখন সার্চ দিয়ে তথ্য খুঁজি। তখন অনেক ধরনের কন্টেন্ট পাওয়া যায়। তার মধ্যে, লিখিত কন্টেন্ট, ভিডিও কন্টেন্ট, অডিও কন্টেন্ট, ছবি কন্টেন্ট ইত্যাদি। তার মানেই বুজতেই পারছেন। ইন্টারনেটে যা কিছু আছে। সবি কন্টেন্ট। এখন আপনি যদি কন্টেন্ট মার্কেটিং করতে চান। তাহলে কোন ধরনের কন্টেন্ট নিয়া মার্কেটিং করবেন?

১। লিখিত কন্টেন্টঃ এই ধরনের কন্টেন্ট ইন্টারনেটে অনেক বেশি আছে। আপনি যখন গুগুলে সার্চ দিবেন।

তখন এই ধরনের কন্টেন্ট গুলো আগে শো করবে।

আপনার পণ্য বা সার্ভিস সম্পর্কে বিস্তারিত লিখিত ভাবে প্রকাশ করতে পারবেন। তার মানে আপনি লিখে দিবেন। তার থেকে ব্যাবহার কারি তথ্য পাবে। কিন্তু যদি পণ্য হয়। সে ক্ষেত্রে দেখাতে পারবেন না। শুধু লিখিত ভাবে প্রকাশ করতে পারবেন।

২। ভিডিও কন্টেন্টঃ আপনার পণ্য বা সার্ভিস ভিডিও আকারে প্রকাশ করতে পারবেন। এখানে লেখার দ্রকার পরে না। আপনার পণ্য সম্পর্কে সরাসরি ভাল ভাবে তথ্য তুলে ধরতে পারবেন। আপনি যদি মনে করেন। পণ্য বা সার্ভিস সম্পর্কে বিস্তারিত পঙ্খানু ভাবে তুলে ধরতে পারবেন।  আপনাকে চিন্তা করতে হবে। মানুষ যাতে অতি সহজেই আপনার সেবা বা পণ্য সম্পর্কে জানতে পারে।

তাহলেই আপনার সেবা বা পণ্য সহজেই মার্কেটিং করতে পারবেন। আগে আপনাকে ভাবতে হবে। মানুষ কোনটার প্রতি চাহিদা বেশি দিয়ে থাকে।

৩। ইমেজ কন্টেন্ট : আপনার সেবা বা পণ্যের ছবি তুলে মার্কেটিং করতে পারেন। ইমেজ মার্কেটিং মুলত পণ্যের ক্ষেত্রে চাহিদা সম্পন হতে পারে। কিন্তু সেবার ক্ষেত্রে নয়।

সিধান্ত কন্টেন্ট মার্কেটিং এর মধ্যে সবচেয়ে চাহিদা সম্পন কন্টেন্ট হল ভিডিও।

কথায় আছে ১ হাজার বার শোনা আর একবার দেখা সমান।

তাই আপনাকে বলব ভিডিও মার্কেটিং সেরা। আমি সাজেশন দিব কন্টেন্ট মার্কেটিং করেন।

মার্কেটিং এর জন্য ভিডিও মার্কেটিং।

যদি আপনি  প্রফেশনাল ভাবে ভিডিও কন্টেন্ট মার্কেটিং করতে চান। তাহলে নিজের একটা ওয়েবসাইট খুলে সেখানে আপনার ভিডিও আপলোড করেন। এটা হল সব চেয়ে ভাল উপায়। কারণ ইউটিউব বা ফেসবুক যদি ভিডিও মার্কেটিং করেন। সেখানে অনেক কঠিন নিয়ম কানুন রয়েছে। যদি আপনি এই সব নিয়ম কানুন না মানেন তাহলে আপনাকে স্রিয়ে দিবে।

ভিডিও আপনি সহজেই তৈরি করতে পারবেন।

শুধু একটা কম্পিউটার এবং ভাল একটা ওয়েব ক্যামেরাই যথেষ্ট। আমিও সিধান্ত নিয়েছি। ভিডিও মার্কেটিং এর দিকেই চলে যাবে।

তাহলে আপনার ক্যারিয়ার শেষ।

যদি এই মুহূর্তে নিজের ওয়েবসাইট তৈরি করা করা সম্বভব না হয়। তবে আপনি ফেসবুক ভিডিও মার্কেটিং শুরু করে দিতে পারেন। মনে রাখবেন বিশ্বের সব মানুষ এখন অনলাইন মুখি হতে চলে চলেছে।

সেবা থেকে শরু করে পণ্য কেনা পর্যন্ত। টিভি চ্যানেল গুলো এখন অনলাইন থেকে দেখা যাইতেছে।

তার মানে বোজতেই পারছেন। ভিডিও মার্কেটিং কত টা চাহিদা হবে। পণ্য কিনার জন্য রিভিউ খুজে মানুষ।

আর যদি এই রিভিউ ভিডিও হয়। তবে কেমন হবে বলেন?

তাই বলব ভিডিও মার্কেটিং এর বিকল্প নাই। এখনি শুরু করে দিতে পারেন। ভবিশত চিন্তা করেন। অনলাইনে কি হতে চলেছে। সবাই ইন্টারনেটের মাধ্যমে সার্ভিস দিবে এবং নিবে।

তাই নির্ভর যোগ্য উপায়ে ভিডিও মার্কেটিং করেন। এটাই হল সেরা উপায়।